1. admin@sylhetbhumi24.com : admin :
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
কঠোর লকডানে সিলেটের চা বাগানে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই; স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শ্রমিকরা সিলেটে একদিনে  ৮ জনের মৃত্যু সিলেটে চলছে কঠোর লকডাউন শুক্রবার থেকে ২ সপ্তাহের কঠোর লকডাউন সিলেটে কোরবানির মাংসের হাট,প্রতিবছরই এই দিনে চোখে পড়ে এমন জটলা তবে এবার তুলনা মুলক কম গোলাপগঞ্জে এলিম চৌধুরীর অর্থায়নে ২০০ মানুষের মধ্যে ত্রান বিতরণ_____ বিশ্বনাথ উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার তরুণ প্রজন্মের মানবিক যোদ্ধা দানশীল ব্যাক্তি ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার দেশ থিয়েটার সিলেটের উদ্যোগে ঈদুল আযহার ঈদ সামগ্রী বিতরণ এক সপ্তাহে সিলেট অঞ্চলে করোনায়  কেড়ে নিয়েছে অর্ধশতজনের প্রাণ ঈদুল আযহার পরে সিলেটের অবস্থা আরও ভয়াবহ হতে পারে
শিরোনাম :
কঠোর লকডানে সিলেটের চা বাগানে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই; স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শ্রমিকরা সিলেটে একদিনে  ৮ জনের মৃত্যু সিলেটে চলছে কঠোর লকডাউন শুক্রবার থেকে ২ সপ্তাহের কঠোর লকডাউন সিলেটে কোরবানির মাংসের হাট,প্রতিবছরই এই দিনে চোখে পড়ে এমন জটলা তবে এবার তুলনা মুলক কম গোলাপগঞ্জে এলিম চৌধুরীর অর্থায়নে ২০০ মানুষের মধ্যে ত্রান বিতরণ_____ বিশ্বনাথ উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার তরুণ প্রজন্মের মানবিক যোদ্ধা দানশীল ব্যাক্তি ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার দেশ থিয়েটার সিলেটের উদ্যোগে ঈদুল আযহার ঈদ সামগ্রী বিতরণ এক সপ্তাহে সিলেট অঞ্চলে করোনায়  কেড়ে নিয়েছে অর্ধশতজনের প্রাণ ঈদুল আযহার পরে সিলেটের অবস্থা আরও ভয়াবহ হতে পারে

তরমুজ নিয়ে কাদের কারসাজি? নেপথ্যে আছে কারা?

সিলেটভুমি প্রতিবেদক🔻
  • সময় : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮০ ৯৮ বার পঠিত

তরমুজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির পেছনে কৃষকের কোনোই হাত নেই


স্বাভাবিকের চেয়ে এবার বৃষ্টি হয়েছে অনেক কম। খাল-বিলেও পানি নেই। অনাবৃষ্টিতে তরমুজ গাছ কোথাও শুকিয়ে গেছে, কোথাও মরে গেছে, কিংবা ফল ছোট হয়েছে। পানির অভাবে এবার তরমুজের ফলন কমেছে। ফসল নষ্টের ফলে যে ঘাটতি হয়েছে, তার পুরো দায়ভার নিতে হয়েছে কৃষককে।

অনাবৃষ্টির প্রতিকূলতা কাটিয়ে যেসব ক্ষেতে তরমুজ হয়েছে, সেসব ক্ষেত আগেই কিনে নিয়েছেন ব্যাপারি বা ফড়িয়ারা। ফলে রমজানের শুরু থেকেই তরমুজের দাম বাড়ছে। রমজানের মাঝামাঝি সময়ে এসে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে তরমুজ। ফসল নষ্ট হওয়ায় এবং ফড়িয়াদের কাছে আগেই ক্ষেত বিক্রি করে দেয়ায় তরমুজের বাড়তি দাম যেমন কৃষক পাচ্ছেন না, তেমনি দাম যে বাড়ছে; তাতেও তাদের কোনো ভূমিকা নেই

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারের আড়তদার, ব্যাপারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেছে জাগো নিউজ। আলাপে জানা গেছে, তরমুজের আকাশচুম্বী দাম বৃদ্ধিতে কৃষকের কোনো হাত নেই। তারা বাড়তি দামের ভাগও পাচ্ছেন না।

তরমুজ বড় হতে শুরু করলে স্থানীয় ব্যাপারিরা তরমুজ ক্ষেত কিনে নেন। এখন তারা ক্ষেত থেকে সেই তরমুজ তুলে কারওয়ান বাজারে নিয়ে আসছেন। আড়তদাররা তরমুজ বিক্রির ওপর নির্দিষ্ট কমিশন রাখছেন। আবার আড়ত থেকে কিনে নিয়ে খুচরা বিক্রেতারা বাড়তি দামে বিক্রি করছেন। অর্থাৎ তরমুজের দাম নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় ব্যাপারি, আড়তদার ও খুচরা বিক্রেতারা।

 

jagonews24নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে তরমুজের দাম

বাজারের চিত্র বলছে, খুচরায় একটা ছোট আকৃতির তরমুজ কিনতেও গুনতে হচ্ছে ২০০ টাকা। আর একটা বড় আকৃতির তরমুজের জন্য ব্যয় করতে হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা। এমনকি সুপার শপগুলোতেও তরমুজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সে হিসেবে প্রতিটি তরমুজের দাম পড়ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। তরমুজের এ দাম বৃদ্ধি ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

কারওয়ান বাজারের সোনার বাংলা বাণিজ্যালয় আড়তের মো. দুলা  বলেন, ‘বরিশাল মোকামের তরমুজ শেষ। এখন খুলনার তরমুজ। খুলনার বাজুড়ার তরমুজ আসছে। এবার তরমুজের দাম প্রচুর। আগের চেয়ে একশ’ গুণ বেশি। এবার তরমুজ কম হয়েছে। বৃষ্টির অভাবে তরমুজ হয়নি। বৃষ্টি কমের কারণে অনেক ক্ষেত্রে তরমুজ ছোটও হয়ে গেছে। এজন্য উৎপাদন কম, দাম বেশি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ঢাকার পাইকারের কাছে তরমুজ কেজি দরে বিক্রি করি না, শ’ হিসেবে বিক্রি করি। ১০০ তরমুজ সর্বনিম্ন আট হাজার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করছি। তরমুজের ধরনের ওপর নির্ভর করে দাম।’

jagonews24কৃষকের কাছ থেকে কিনে ব্যাপারিরা বাজারে তরমুজ এনে আড়তদারদের দেন, তারা তা অন্য বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন, বিনিময়ে পান কমিশন

কমিশনের বিষয়ে দুলাল বলেন, ‘কৃষকের কাছ থেকে ব্যাপারিরা তরমুজ আমাদের কাছে নিয়ে আসেন। আমরা তাদের বিক্রি করে দিই। এক লাখ টাকা বিক্রি করলে ১০ হাজার টাকা কমিশন আমাদের। বাকি টাকা তাদের দিয়ে দেই।’

কারওয়ান বাজারের রবরব ফার্মের ম্যানেজার মো. এরশাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের কাছে ব্যাপারিরা তরমুজ নিয়ে আসে। আমরা কমিশন কাটি। তারপর তরমুজ বিক্রি করে তাদের বিল আমরা দিয়ে দেই। ব্যাপারিদের কাছ থেকে আমরা ৫ শতাংশ করে রাখি। এক লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করে দিলে আমরা পাঁচ হাজার টাকা পাই।’

খুলনার দাকোপ থানার বাজুয়া ইউনিয়নের তরমুজের ব্যাপারি ননী গোপাল গোস্বামী। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) তিনি কারওয়ান বাজারের সোনার বাংলা বাণিজ্যালয় আড়তে তরমুজ নিয়ে এসেছেন।

ননী গোপাল  বলেন, ‘আমি আগে থেকেই কৃষকের কাছ থেকে তরমুজ ক্ষেত কিনে রেখেছিলাম। যেমন আপনার এক বিঘা তরমুজ ক্ষেত আছে। আমি ফড়ি। গিয়ে বলছিলাম, কত বিক্রি করবেন? পরে বিষয়টি নিয়ে চুক্তিপত্র হয়। আমি চার বিঘা কিনেছি। সেখান থেকে তরমুজ তুলে আজকে নিয়ে আসছি। ক্ষেত থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস তরমুজ নিয়ে এসেছি। ওখান থেকে জৈষ্ঠ মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত আরও তরমুজ তোলা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে যে তরমুজগুলো এনেছি, সেগুলো এখনো বিক্রি হয়নি। এখানকার (ঢাকার) বাজার অনুপাতে তরমুজ বিক্রি হবে। বাজার মোটামুটি ভালো দেখছি।’

jagonews24তরমুজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির পেছনে কৃষকের কোনোই হাত নেই

দাম বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে ননী দুলাল বলেন, ‘অনাবৃষ্টি হওয়ার কারণে প্রচুর ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। আবার ওইদিকে পানির অভাব। আমাদের ওখানে ছোট ছোট খাল। খালেও পানি নেই। এজন্য অনেক ক্ষেতই মাইর গেছে। যারা পানি দিতে পারেনি, গাছ মরে গেছে। শুকিয়ে গেছে কিংবা ফল ছোট হয়েছে। এসব কারণে তরমুজের দাম বেশি।’

কারওয়ান বাজারের গ্রিন ফুড এজেন্সিতে তরমুজ বিক্রি করতে আসা ব্যাপারি মো. বেলাল হোসেন বলেন, ‘কৃষকের কাছ থেকে আমি তরমুজের ক্ষেত কিনেছি। একটা আইডিয়ার ওপরে জমি কিনি। কেনা-বেচার ওপর লাভ-ঘাটতির হিসাব করা হয়। তবে এবার লাভ হবে আশা করি।’

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
🔻 আরও পড়ুন

ফেসবুকে আমরা