1. admin@sylhetbhumi24.com : admin :
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
কঠোর লকডানে সিলেটের চা বাগানে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই; স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শ্রমিকরা সিলেটে একদিনে  ৮ জনের মৃত্যু সিলেটে চলছে কঠোর লকডাউন শুক্রবার থেকে ২ সপ্তাহের কঠোর লকডাউন সিলেটে কোরবানির মাংসের হাট,প্রতিবছরই এই দিনে চোখে পড়ে এমন জটলা তবে এবার তুলনা মুলক কম গোলাপগঞ্জে এলিম চৌধুরীর অর্থায়নে ২০০ মানুষের মধ্যে ত্রান বিতরণ_____ বিশ্বনাথ উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার তরুণ প্রজন্মের মানবিক যোদ্ধা দানশীল ব্যাক্তি ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার দেশ থিয়েটার সিলেটের উদ্যোগে ঈদুল আযহার ঈদ সামগ্রী বিতরণ এক সপ্তাহে সিলেট অঞ্চলে করোনায়  কেড়ে নিয়েছে অর্ধশতজনের প্রাণ ঈদুল আযহার পরে সিলেটের অবস্থা আরও ভয়াবহ হতে পারে
শিরোনাম :
কঠোর লকডানে সিলেটের চা বাগানে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই; স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শ্রমিকরা সিলেটে একদিনে  ৮ জনের মৃত্যু সিলেটে চলছে কঠোর লকডাউন শুক্রবার থেকে ২ সপ্তাহের কঠোর লকডাউন সিলেটে কোরবানির মাংসের হাট,প্রতিবছরই এই দিনে চোখে পড়ে এমন জটলা তবে এবার তুলনা মুলক কম গোলাপগঞ্জে এলিম চৌধুরীর অর্থায়নে ২০০ মানুষের মধ্যে ত্রান বিতরণ_____ বিশ্বনাথ উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার তরুণ প্রজন্মের মানবিক যোদ্ধা দানশীল ব্যাক্তি ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার দেশ থিয়েটার সিলেটের উদ্যোগে ঈদুল আযহার ঈদ সামগ্রী বিতরণ এক সপ্তাহে সিলেট অঞ্চলে করোনায়  কেড়ে নিয়েছে অর্ধশতজনের প্রাণ ঈদুল আযহার পরে সিলেটের অবস্থা আরও ভয়াবহ হতে পারে

সরকার গত দুই বছরে অধিক সময়ধরে দেশের মানুয কে মাস্ক পরানো শিখাতে পারেরি!

প্রশাসন
  • সময় : শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১
  • ৬৭ ৯৮ বার পঠিত
 করোনা মহামারির শুরু থেকেই অবহেলিত সরকারের ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতি। মাস্কে সবার অনীহা আগে যেমন ছিল এখনো তাই। এ ব্যাপারে যেমন জনগনের মধ্যে কোন সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা, তেমনি প্রশাসনকেও ততোটা সক্রিয় মনে হচ্ছেনা।মার্কেট, সাধারণ দোকান, কাঁচা বাজার, মাছের বাজার থেকে শুরু করে রাস্তার পথচারি- সবারই মাস্কে অনীহা। আর ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ অন্তত সিলেটের ক্ষেত্রে ‘নো মাস্ক, নো প্রবলেম’ বা ‘নো মাস্ক- ইয়েস সার্ভিস’ বলেও অনেকে বিদ্রুপ করছেন। কিছু কিছু সরকারি দফতরে বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়া হলেও বেসরকারি ক্ষেত্রে তা এতই অবহেলিত যে, ক্রেতা বা বিক্রেতা কেউ তা পাত্তা দেয়ার প্রয়োজনই মনে করছেন না। এতে ঝুঁকি আরও কয়েকগুণ বাড়ছে বলেও মনে করছেন সচেতন মহল। বিষয়টি মনিটরেরও যেনো কেউ নেই। বিশেষ করে সকরারের।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে নিয়মিত মাস্ক পরা। আর তাই মহামারির শুরু থেকেই এ ব্যাপারে সরকারের বিশেষ নির্দেশনা ছিল। এক পর্যায়ে সরকার বাধ্য হয়ে ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতি ঘোষণা করেন। কিন্তু তখনো সাধারণ মানুষ বিষয়টিকে তেমন একটা পাত্তা দেন নি, এখনো যখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, তখনো সেই একই অবস্থা। মাস্ক ব্যবহারে কারও আগ্রহ নেই। এমনকি নগরীর নামিদামী মার্কেট দোকান বা শপিং মলের ব্যবসায়ীরাও এ ব্যাপারে নির্বিকার।

বুধবার সরজমিনে নগরীর জিন্দাবাজার এলাকার সিলেট প্লাজা, মধুবন সুপার মার্কেট,  কাকলি শপিং সেন্টার, আলহামরা শপিং সেন্টার, ইদ্রিস মার্কেট, সিটি শপিং সেন্টারের ঘুরে দেখা যায়, কোন কোন দোকানের একজন মার্স্ক ব্যবহার করলেও অন্য তিন কর্মচারী তা ব্যবহার করছেন না। মাস্ক ছাড়া কাস্টমার দোকানে প্রবেশ করতে পারবেন না, বা তারা সার্ভিস না পাওয়ার কথা থাকলেও বরং তাদের ডাকাডাকি করেই দোকানে বসিয়ে সেবা দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অথচ সরকার সর্বাত্মক লকডাউনেও মার্কেট বিপণীবিতান বা শপিং মল খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছেন কেবল কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে। কিন্তু সিলেটে তা আর হচ্ছেইনা।

একই অবস্থা নগরীর কাঁচা বাজার ও মাছের বাজারগুলোতে। কাজিরবাজার, বন্দরবাজার, আম্বরখানা, সুবিদবাজার, শিবগঞ্জ বাজার, মদিনা মার্কেট, শাহী ঈদগাহ, কাজিটোলাসহ প্রায় সব বাজারেই ঠাসাঠাসি অবস্থায় ক্রেতা বিক্রেতারা লেনদেন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের তিনভাগের এক ভাগও মাস্ক ব্যবহার করছেন না।

জানতে চাইলে শাহী ঈদগাহ এলাকার সবজি ব্যবসায়ী অরুন দাস পকেটের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘আছে, মাস্ক আছে।’ ব্যবহার না করার কারণ জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কানো বিষ করে!’ জরিমানার ভয় নাই? এর জবাবে তিনি বলেন- ‘আইলেউ ফিন্দিলিমু।’ একই ধরণের বক্তব্য ক্রেতা-বিক্রেতা প্রায় সবার।

মাস্ক ব্যবহারে বাধ্য করতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগও অনেকটাই ঢিলেঢালা। মাঝে মাঝে প্রশাসন অভিযান চালায়, কয়েকজনকে কিছু জরিমানার পরই যেনো তাদের দায়িত্ব শেষ। সিলেটের সচেতন মহল মনে করছেন, এ ব্যাপারে সরকারের আরও কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন। বিশেষ করে আরও বেশি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা ও জরিমানার উপর জোর দিতে হবে। তাহলে জরিমানার ভয়ে হলেও মানুষ মাস্ক ব্যবহারে বাধ্য হবে।

সরকার দোকান বা শপিং মল খুলে দেয়ায় খুশি সিলেটের ব্যবসায়ীরা। খুশি ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দও। তবে ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ কার্যকরের বিষয়ে তাদের কোন উদ্যোগই এখনো চোখে পড়ছেনা।

এ ব্যাপার জানতে চাইলে সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যকল্যাণ পরিষদের সভাপতি শেখ মো. মখন মিয়া জানান, শনিবার ( ১ মে ) থেকে তারা মাঠে কাজ করবেন। মার্কেট শপিং মলগুলোর ব্যবসায়ীদের দেখবেন তারা নো মাস্ক নো সার্ভিস নীতি মানছেন কি না। প্রয়োজনে তাদের মানাতে বাধ্য করা হবে বলেও আশ্বাস দেন মখন মিয়া। তাছাড়া তিনি সব ব্যবসায়ীকে এ ব্যাপারে সচেতন ভূমিকা রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
🔻 আরও পড়ুন

ফেসবুকে আমরা