1. admin@sylhetbhumi24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
দুবাই প্রবাসী আশিকের বিশাল সিন্ডিকেট  নারী পাচার, অবৈধ স্বর্ণ ও হোন্ডি ব্যবসা করে রাতারাতি কোটিপতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা মনিটরিং করছে পুলিশ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ শরিফ উদ্দিন এর নির্দেশনা শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপত্তায় প্রধান করছে আনসার ভিডিপি মো:ইমরান হোসেন শ্রীমঙ্গলে প্রতিমা বিসর্জন এর মাধ্যমে শেষ হল দুর্গাপূজা আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মাহবুব মিয়ার সমর্থনে জনতার ঢল হুমায়ুন রশিদ চত্তর থেকে ০৩ ছিনতাইকারী গ্রেফতার শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাচনে নৌকার পালে হাওয়া শিক্ষাক্ষেত্রে এখনও আমরা পিছিয়ে আছি : জগন্নাথপুরে পরিকল্পনামন্ত্রী কিশোরী পান্নাকে স্ত্রীর মতো ভোগ করতেন মোবাশ্বির, ক্ষোভ থেকে খুন! সাইবার ট্রাইব্যুনালে গোলাপগঞ্জের হাসিনা আহাদসহ আসামী ৪
শিরোনাম :
দুবাই প্রবাসী আশিকের বিশাল সিন্ডিকেট  নারী পাচার, অবৈধ স্বর্ণ ও হোন্ডি ব্যবসা করে রাতারাতি কোটিপতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা মনিটরিং করছে পুলিশ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ শরিফ উদ্দিন এর নির্দেশনা শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপত্তায় প্রধান করছে আনসার ভিডিপি মো:ইমরান হোসেন শ্রীমঙ্গলে প্রতিমা বিসর্জন এর মাধ্যমে শেষ হল দুর্গাপূজা আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মাহবুব মিয়ার সমর্থনে জনতার ঢল হুমায়ুন রশিদ চত্তর থেকে ০৩ ছিনতাইকারী গ্রেফতার শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাচনে নৌকার পালে হাওয়া শিক্ষাক্ষেত্রে এখনও আমরা পিছিয়ে আছি : জগন্নাথপুরে পরিকল্পনামন্ত্রী কিশোরী পান্নাকে স্ত্রীর মতো ভোগ করতেন মোবাশ্বির, ক্ষোভ থেকে খুন! সাইবার ট্রাইব্যুনালে গোলাপগঞ্জের হাসিনা আহাদসহ আসামী ৪

ফিরেদেখা ঃসিলেটে ১০গুণ হারে বিবাহবিচ্ছেদ বাড়ছে

এম,এ,রউফ।।
  • সময় : সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১
  • ১৭৭ ৯৮ বার পঠিত

সিলেটে ২০২০ সালের প্রথম ১০ মাসের হিসাবে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন প্রায় ১০ গুণে দাঁড়িয়েছে। এ হার ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার চেয়ে অনেক বেশি।

সিলেট সিটি করপোরেশনের হিসাব বলছে, গেল বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সেখানে ২ হাজার ৩৩৬টি বিচ্ছেদের আবেদন জমা পড়ে। ২০১৯ সালের পুরো বছরে সংখ্যাটি ছিল ২৯১। মাসিক গড় বিবেচনায় নিলে বিচ্ছেদের আবেদন সাড়ে ৯ গুণ ছাড়িয়ে গেছে।

শুধু করোনাকালে সিলেটে কত বিচ্ছেদের আবেদন জমা পড়েছে, তারও একটি হিসাব পাওয়া যায় সিটি করপোরেশন থেকে। করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, গেল বছরের প্রথম ১০ মাসে জমা পড়া আবেদনের ২০০টির মতো জানুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সময়ের। বাকি ২ হাজার ১০০টির বেশি আবেদন করোনাকালে হয় বলে ধরে নেওয়া যায়।

দেশে করোনায় আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। এরপর ২৬ মার্চ থেকে দেশে সাধারণ ছুটি শুরু হয়, যা চলে মে মাসের শেষ পর্যন্ত।

করোনাকালে বিচ্ছেদের আবেদন কেন বাড়ল, তার একটি ব্যাখ্যা দেন জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সিলেট বিভাগীয় প্রধান সৈয়দা শিরিনা আক্তার। তার পর্যবেক্ষণ হলো, করোনা পরিস্থিতিতে অনেকে অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপে পড়েছেন। আগে পুরুষেরা ঘরের বাইরে বেশি সময় কাটাতেন, করোনাকালে কাটিয়েছেন ঘরে। নারীর ক্ষেত্রেও কাজের চাপ বেড়েছে। তিনি বলেন, সব মিলিয়ে সহনশীলতা কমে গেছে। ধৈর্যচ্যুতি ঘটছে। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ বেড়েছে। এর জের ধরে বিচ্ছেদের মতো পরিস্থিতির দিকেও অনেকে যাচ্ছেন।

সিলেট নগরের ভেতরে যেসব দম্পতি বিচ্ছেদ চান, তাদের সিটি করপোরেশনের আইন শাখায় আবেদন করতে হয়। আবেদন জমার পর নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে বিষয়টি সুরাহার জন্য প্রতি মাসে একবার করে টানা তিন দফা নোটিশ দেওয়া হয়। এরপর উভয় পক্ষকে নিয়ে সিটি করপোরেশনের মেয়র শুনানিতে বসে সমাধানের চেষ্টা চালান। তাতেও কাজ না হলে বিচ্ছেদ কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে, গেল বছরের প্রথম ১০ মাসে ২৩টি বিচ্ছেদের আবেদন কার্যকর হয়েছে। করোনার সংক্রমণের কারণে গত মার্চের পর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুনানি বন্ধ ছিল। অক্টোবর মাসে দুই দিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

সিটি করপোরেশনে বিচ্ছেদ চেয়ে জমা পড়া আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে, বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে পারিবারিক কলহ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, পরকীয়া, যৌতুক, মাদক সেবন করে নির্যাতন, প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগহীনতা এবং যৌন অক্ষমতা কারণ হিসেবে বেশি উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ্য, আইনজীবীরা মূলততাদের নির্দিষ্ট ফরমে গৎবাঁধা কারণ দেখিয়ে আবেদন করান।

করোনাকাল যে কারও কারও পরিবারে সংকট তৈরি করেছে, তা জানা যায় বিচ্ছেদে আগ্রহী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিচ্ছেদ চেয়ে আবেদনকারী এক নারী বলেন, করোনাকালের শুরুর দিকে সাধারণ ছুটির সময় তার স্বামীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইন্টারনেটে আসক্তি চলে আসে। একদিন এ নিয়ে কথা–কাটাকাটির পর স্বামী তাকে বেধড়ক মারধর করেন। এই নারী আরও বলেন, ফেসবুক সূত্রে তার স্বামী এক নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। তাই সম্পর্ক আর টিকিয়ে রাখা যাচ্ছে না।

বিচ্ছেদের আবেদন ঘেঁটে আরও দেখা যায়, গেল বছর আবেদনকারীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা প্রায় ৬৫ শতাংশ। বিচ্ছেদে আগ্রহীদের তালিকায় নতুন দম্পতি যেমন রয়েছেন, তেমনি বয়স্করাও।আর নতুন বছর ২০২১ দুই মাসে যে অভিযোগ পড়ছে গত বছরের তুলনায় দিগুণ গুন বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
🔻 আরও পড়ুন