1. admin@sylhetbhumi24.com : admin :
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
কঠোর লকডানে সিলেটের চা বাগানে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই; স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শ্রমিকরা সিলেটে একদিনে  ৮ জনের মৃত্যু সিলেটে চলছে কঠোর লকডাউন শুক্রবার থেকে ২ সপ্তাহের কঠোর লকডাউন সিলেটে কোরবানির মাংসের হাট,প্রতিবছরই এই দিনে চোখে পড়ে এমন জটলা তবে এবার তুলনা মুলক কম গোলাপগঞ্জে এলিম চৌধুরীর অর্থায়নে ২০০ মানুষের মধ্যে ত্রান বিতরণ_____ বিশ্বনাথ উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার তরুণ প্রজন্মের মানবিক যোদ্ধা দানশীল ব্যাক্তি ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার দেশ থিয়েটার সিলেটের উদ্যোগে ঈদুল আযহার ঈদ সামগ্রী বিতরণ এক সপ্তাহে সিলেট অঞ্চলে করোনায়  কেড়ে নিয়েছে অর্ধশতজনের প্রাণ ঈদুল আযহার পরে সিলেটের অবস্থা আরও ভয়াবহ হতে পারে
শিরোনাম :
কঠোর লকডানে সিলেটের চা বাগানে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই; স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শ্রমিকরা সিলেটে একদিনে  ৮ জনের মৃত্যু সিলেটে চলছে কঠোর লকডাউন শুক্রবার থেকে ২ সপ্তাহের কঠোর লকডাউন সিলেটে কোরবানির মাংসের হাট,প্রতিবছরই এই দিনে চোখে পড়ে এমন জটলা তবে এবার তুলনা মুলক কম গোলাপগঞ্জে এলিম চৌধুরীর অর্থায়নে ২০০ মানুষের মধ্যে ত্রান বিতরণ_____ বিশ্বনাথ উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার তরুণ প্রজন্মের মানবিক যোদ্ধা দানশীল ব্যাক্তি ইমতিয়াজ কামরান তালুকদার দেশ থিয়েটার সিলেটের উদ্যোগে ঈদুল আযহার ঈদ সামগ্রী বিতরণ এক সপ্তাহে সিলেট অঞ্চলে করোনায়  কেড়ে নিয়েছে অর্ধশতজনের প্রাণ ঈদুল আযহার পরে সিলেটের অবস্থা আরও ভয়াবহ হতে পারে

‘দাম কত বা?’ কত দিয়া কিনলা. ‘বিছাল আইলো ’- নানান সব রসাত্মক বাক্যে মুখর এখন নগরীর রাজপথ

এম,এ,রউফ।।
  • সময় : মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১
  • ২৩ ৯৮ বার পঠিত

সিলেটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর


 

: সিলেটে কোরবানির পশুর হাট শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে । বিক্রির উদ্দেশ্যে নগরে নিয়ে আসা গরুর স্রোত গিয়ে মিশছে বৃহত্তম পশুরহাট কাজিরবাজারে। কেউ ক্রয় করেছেন, আবার কেউ বিক্রির উদ্দেশ্যে গরু নিয়ে ছুটছেন বাজারে। আবার কেউ পিছন থেকে হাঁকছেন, ‘দাম কত বা?’ অথবা ‘বিছাল আইলো (ষাঁড় আসলো)’- নানান সব রসাত্মক বাক্যে মুখর এখন নগরীর রাজপথ। এই দৃশ্য সিলেটের পশুর হাটের। তবে, বেশিরভাগ হাটেই স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে।

সাধারণত সিলেট নগরীতে পশুর হাট জমে উঠে ঈদের ঠিক আগের দিন। এবারো হয়েছে তাই। সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত হতে গরু নিয়ে আসছেন নগরে। আবার নগরীর প্রবেশমুখগুলোতে বসেছে পশুর হাট। তবে ক্রেতাদের নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে দাঁড়িয়ে গরু ক্রয় করতে দেখা গেছে। তবে, পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সড়ক থেকে অনুমোদিত বাজারে গরু নিয়ে যাওয়ার জন্য তাগিদ দিতে দেখা যায়।

সিলেট শহরতলীর শিবেরবাজার এলাকা থেকে তিনটি গরু নিয়ে পায়ে হেঁেট নগরীর কাজিরবাজারে আসছেন লালারগাওয়ের আব্দুল আলী। তার মতে, অনেকেই বেশি লাভের আশায় গরু বিক্রি করেননি। আজ সবাইকে গরু বিক্রি করতেই হবে। এরজন্য বাজারে পশুর দাম নিয়ে এখনো শঙ্কা রয়েছে।

নগরীর মদীনা মার্কেটে গরু কিনতে আসা রুবেল ইসলাম বলেন, ‘নিয়ত করে ফেলেছি, ভালো লাগলে গরু ক্রয় করে নিব, দাম একটু কম বেশি হবে’। তিনি বলেন, বাজার এখন বিভিন্ন স্থানে বসছে, কোন জায়গায় কেমন বিক্রি হচ্ছে বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বৃহত্তম পশুর হাটে গতকাল সোমবার বিপুল সংখ্যক গরু নিয়ে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। তবে পুরো বাজার জুড়ে দেশি গরুর দাপট। এবার বড় সাইজের গরু একটু কম। বেশিরভাই মাঝারি শ্রেণির। দামও ভালো। দেশের উত্তরাঞ্চল থেকেও গরু এসেছে। তবে অন্য বছরের তুলনায় এবার কম। ভারত থেকে খুব একটা গরু এসে সিলেটে পৌঁছায়নি।

নাটোর থেকে পাঁচটি গরু নিয়ে কাজিরবাজার হাটে এসেছেন জুম্মন। তিনি বলেন, এলাকা থেকে ৫টি গরু নিয়ে এসেছিলাম। তিনটি মাঝারি ও দুটি বড়। মাঝারি গরু তিনটিই বিক্রি হয়ে গেছে। বড় গরু দুটিরও দরদাম হয়েছে। কিন্তু এখনো বিক্রি হয়নি। ক্রেতারা দাম দর করে চলে যাচ্ছে।

অন্য এক বিক্রেতা হোসেন। এসেছেন কুষ্টিয়া থেকে। তিনি বলেন, চারটি বড় গরু নিয়ে এসেছি। এখন পর্যন্ত ২টি বিক্রি করতে পেরেছি। বড় গরুর চাহিদা কম। হাতেগোনা কিছু মানুষ বড় গরু কিনছেন। মানুষ এসে দামাদামি করছেন ঠিকই; কিন্তু নিচ্ছেন মাঝারি গরু।

সিলেট শহরতলীর চাতলীবন্দে অবস্থিত হালিমা এন্ড হাসিনা এগ্রোফার্ম এর নুসরাত হাসিনা সম্পা জানান, তার খামারে ৫৬টি গরু ছিলো গতকাল সোমবার পর্যন্ত ৪০/৪৫টি গরু বিক্রি হয়ে গেছে। যে কয়টি আছে সেগুলোও আজ মঙ্গলবার বিক্রি হয়ে যাবে বলে আশা করছেন। তিনি জানান, ফেইসবুকে গরুর ছবি আপলোড করার পর আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনরা যোগাযোগ করে গরু দেখতে আসেন। এতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়।

কুমারগাঁও তেমুখী এলাকার অস্থায়ী পশুর হাটে বেপারী আব্দুল খালিক বলেন, মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। বাজারে নানা আকারের গরু থাকলেও মাঝারি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

কাজিরবাজারের ম্যানেজার শাহাদত হোসেন লোলন জানান, সিলেটে প্রায় ৫ লাখ গরুর চাহিদা থাকে। এবারো পর্যাপ্ত গরু বাজারে রয়েছে বলে জানান তিনি। নগরীর বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী বাজার হওয়ায় ক্রেতাদের জন্য দাম দর করতে একটু অসুবিধে হচ্ছে। একটা সময় বাজারের ভারসাম্য থাকতো। ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ খুব বেশি লোকসান বা লাভ গুনতে হতো না। এখন দামের সেই ভারসাম্য নেই বাজারে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) বিএম আশরাফুল্লাহ তাহের জানান, বিক্রেতা ও ক্রেতারা যাতে হয়রানির শিকার না হন- এর জন্য পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোথাও জোর করে গরুর গাড়ি থামাতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও রয়েছে বলে জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
🔻 আরও পড়ুন

ফেসবুকে আমরা