1. admin@sylhetbhumi24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

এক শিক্ষা কর্মকর্তা ও দুই অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

প্রশাসন
  • সময় : রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ২০৭ ৯৮ বার পঠিত

গোবিন্দ দেব জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন ও শিক্ষা অফিসের সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ও হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটর কবির উদ্দিন এর বিরুদ্ধে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাক প্রাথমিক ৫৫ জন শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের উন্নয়ন খাতের টাকা রাজস্ব খাত হতে টাকার ভুয়া ভাউচার বানিয়ে জগন্নাথপুর সোনালী ব্যাংক হতে উওোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।
টাকা আত্মসাতের ঘটনা জানায় হিসাব রক্ষণ অফিসে দৈনিক ভিওিক কর্মচারী সুবেশ দেবনাথ কে বিনা নোটিশে অফিস থেকে বাহির করে দেওয়া হয়েছে।
এমন প্রাক প্রাথমিক শিক্ষকরা জানেন না তাদের ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাতের ঘটনা।
হিসাব মহা নিয়ন্ত্রক, অর্থ বিভাগে বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন জগন্নাথপুর হিসাব রক্ষণ অফিসের দৈনিক ভিওিক কর্মচারী সুবেশ দেনাথ।

অভিযোগে জানা গেছে, তারা তিন জন মিলে
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের উন্নয়ন খাতের টাকা রাজস্ব খাত হতে ১৩ লক্ষ টাকা ভুয়া ভাউচার বানিয়ে তাদের নিজেদের পকেটে নিয়েছে তারা।
ভুয়া ভাউচার করে শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন ও তার সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ও হিসার রক্ষণ অফিসের অডিটর কবির উদ্দিন ১৩ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করেন।।

অনিয়ম সংক্রান্ত কাজপত্র ঘেটে দেখা গেছে, শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন ও তার সহকারী মিলে নয়-ছয় করে ভুয়া ভাউচার বানিয়ে ১৩ লক্ষ টাকা জগন্নাথপুর সোনালী ব্যাংক থেকে টাকা তুলে তাদের পকেটে নিয়েছে।। শিক্ষক ও শিক্ষিকারা জানেন না।
আত্মসাৎ করা হয়েছে।

আরও জানা গেছে, জগন্নাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী নিয়োগে শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন ও সহকারী আব্দুল কুদ্দুস নিয়োগ বানিজ্য করেছে।প্রতিটি দপ্তররী কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা দুই টাকার
বিনিময়ে দপ্তরী চাকরি দেওয়া হয়েছে।
২২/৮ /২০২১ইং সালে জগন্নাথপুর গ্রামের সুবেশ দেবনাথ লিখিত ভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব মহা নিয়ন্ত্রক অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিলেট বিভাগের ডিডিসিএ কর্মকর্তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়। ৪ / ১/ ২০২২ ইং তারিখে জগন্নাথপুর উপজেলা হিসাব রক্ষাণ অফিসে শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন ও শিক্ষা অফিসের সহকারী আব্দুল কুদ্দুস ও হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটর কবির উদ্দিন অভিযোগকারী উপস্থিত তদন্ত হয়।তদন্ত করে সিলেট বিভাগের ডিডিসিএ নবদুলাল তালুকদার।
তদন্ত কালে ১৩ লক্ষ টাকার আত্মসাৎ প্রমাণ মিলেছে।এবং জগন্নাথপুর সোনালী ব্যাংক ১৩ লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছে। তিন দুর্নীতি বাজ কর্মকর্তা।

জগন্নাথপুর হিসাব রক্ষণ অফিসের দৈনিক ভিওিক কর্মচারী সুবেশ দেবনাথ বলেন, তিন কর্মকর্তা ভুয়া ভাউচার বানিয়ে শিক্ষকদের ১৩ লক্ষ টাকা তুলেছেন। আমি এগুলো জানায় আমাকে বিনা কারনে অফিস থেকে বাহির করে দেন।পরে বিচার প্রার্থী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি তদন্ত সুষ্ঠ হয়েছে। তদন্ত কালে ১৩ লক্ষ টাকার আত্মসাতের ঘটনা মিলেছে। আমার দাবী আমরা দৈনিক ভিওিক কর্মচারী পদ যেন পিরিয়ে পাই।।

সিলেট বিভাগের ডেপুটি ডিভিশনাল কন্টোলার অব একাউন্টস কর্মকর্তা নবদুলাল তালুকদার বলেন মন্তনালয়ে একটি অভিযোগ করা হয়েছিলো।অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে আমাকে দেওয়া হয়।১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাতের ঘটনা সত্য। তদন্ত যাওয়ার তিন আগে তিন কর্মকর্তা সোনালী ব্যাংক জগন্নাথপুর ১৩ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ দিয়েছেন।।

সাবেক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন জানান আমি এবিষয়ে কিছু জানিনা।

শিক্ষা অফিসের সহকারী আব্দুল কুদ্দুস বলেন আমি কিছু জানিনা, শিক্ষা অফিসার স্যার সব জানেন।

সাবেক উপজেলা হিসাব রক্ষণ অডিটর কবির আহমেদ বলেন আমাকে ভাউচার বানিয়ে দেওয়া হয়ে আমি এ আলোকে কাজ করেছি।আর বেশি জানিনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
🔻 আরও পড়ুন